সংবাদ:
গত ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলে হামলা-মামলা, গুম-খুন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির নাম উল্লেখ করা হয়েছে। একইসঙ্গে দাবি করা হয়, প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও নিজস্ব পরিচয়ে ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে বারবার প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল।
বক্তব্যে বলা হয়, ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কারণে অনেক নেতাকর্মী আবাসিক হলে থাকতে পারেননি, পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেননি এবং এমনকি ক্লাসরুমেও প্রবেশে বাধার সম্মুখীন হয়েছেন। তবুও নানা নিপীড়ন-নির্যাতন সহ্য করে তারা সংগঠনের পরিচয় বজায় রেখে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়ে গেছেন।
আরও দাবি করা হয়, ফ্যাসিবাদবিরোধী আন্দোলন ও গণঅভ্যুত্থানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের শহীদের প্রকৃত সংখ্যা প্রকাশ না করলেও ছাত্রদলের ত্যাগ ও আত্মদানের পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি। বিশেষ করে জুলাই ২০২৪-এর গণঅভ্যুত্থানে একক সংগঠন হিসেবে ছাত্রদলের ১৪২ জন নেতাকর্মী শহীদ হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়।
উত্তাল আন্দোলনের প্রথম দিন ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে আবু সাঈদের পাশাপাশি ছাত্রদলের কর্মী ওয়াসিম আকরামের শহীদ হওয়ার ঘটনাও তুলে ধরা হয়। একই অঞ্চলে সম্প্রতি ‘গুপ্ত’ লেখাকে কেন্দ্র করে ছাত্রশিবিরের সঙ্গে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে।
এদিকে, বর্তমান বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকার ক্ষমতায় আসার পর দেশে বাকস্বাধীনতা, মানবাধিকার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছে বলে দাবি করা হয়। গত দুই মাসের কার্যক্রমকে এর প্রমাণ হিসেবে তুলে ধরা হয়।
সংবাদে বলা হয়, গণতান্ত্রিক পরিবেশে সকল ছাত্র সংগঠন—ছাত্রশিবিরসহ—নিজস্ব পরিচয়ে রাজনীতি করুক, সেটিই প্রত্যাশিত। অতীতে গোপনে অন্য সংগঠনের ভেতরে কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ তুলে এটিকে সুস্থ রাজনৈতিক চর্চার পরিপন্থী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।
সর্বশেষে, সহিংসতা ও সংঘর্ষের রাজনীতি পরিহার করে সকল রাজনৈতিক দল ও তাদের অঙ্গসংগঠনকে প্রকাশ্য, ইতিবাচক ও গঠনমূলক রাজনীতিতে ফিরে আসার আহ্বান জানানো হয়েছে।
লিখেছেন:
ড. মাহদী আমিন
উপদেষ্টা, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
সম্পাদকঃ মাহবুবা আক্তার। অফিসঃ ৭৫ ই-ব্রডওয়ে,নিউইয়র্ক এনওয়াই ১০০০২।ফোন:+৮৮০১৭১২৯০৩৪০১ ই- মেইলঃ dailyhaquekotha@gmail.com
প্রকাশিত সংবাদপত্রের অংশ